তৈরি পোশাকের বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোকে কেবল ক্রেতা হিসেবে নয়, বরং প্রকৃত অংশীদার হিসেবে টেকসই উদ্যোগে বিনিয়োগ ও প্রণোদনা দিতে হবে। জার্মান উন্নয়ন সংস্থা জিআইজেড ও সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়া আয়োজিত মাল্টি-স্টেকহোল্ডার ওয়ার্কিং গ্রুপ মিটিংয়ে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পক্ষ থেকে এ দাবি উত্থাপন করা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করার জন্য গত রোববার ঢাকার সিক্স সিজন হোটেলে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বিজিএমইএর সহসভাপতি ভিদিয়া অমৃত খান বাংলাদেশের পোশাক খাতের টেকসই ভবিষ্যৎ নিয়ে মতামত তুলে ধরেন। অন্যদিকে সংগঠনের পরিচালক শেখ হোসেন মুহাম্মদ মুস্তাফিজ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বিজিএমইএর বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন।
বৈঠকে পোশাক কারখানার প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড, দাতা সংস্থা ও পরিষেবা প্রদানকারীরা একত্রিত হয়ে জলবায়ু-সংক্রান্ত একটি সাধারণ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে কাজ করেন। আলোচনায় উঠে আসে যে কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য নীতিমালা প্রণয়ন, অর্থায়ন প্রক্রিয়া সহজ করা ও সবার সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত জরুরি।
বিজিএমইএর পক্ষ থেকে বলা হয়, পোশাক শিল্পে জ্বালানি সাশ্রয়ী কার্যক্রম, নবায়নযোগ্য জ্বালানি গ্রহণ, সার্কুলারিটি প্রকল্পগুলো ও ইএসজি ডাটা প্লাটফর্ম তৈরিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে অংশগ্রহণকারীরা জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোকে কেবল ক্রেতা হিসেবে নয়, বরং প্রকৃত অংশীদার হিসেবে টেকসই উদ্যোগে বিনিয়োগ এবং প্রণোদনা দিতে হবে।
দলীয় কার্যক্রমের মাধ্যমে অংশীজনরা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ যেমন নীতিমালার ঘাটতি ও অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করেন। একই সঙ্গে তারা সমন্বিত জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার প্রসারের জন্য কার্যকর সমাধান নিয়েও আলোচনা করেন।